Category Archives: উন্নয়নের কর্মকান্ড

হবিগঞ্জ পৌরসভায় নগর সমন্বয় কমিটি’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত

হবিগঞ্জ পৌরসভায় অনুষ্ঠিত হয়েছে নগর সমন্বয় কমিটি টিএলসিসি’র ত্রৈমাসিক সভা। রবিবার সকালে পৌরভবনের সভাকে হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব জি, কে গউছের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মেয়র আলহাজ্ব জি, কে গউছ টিএলসিসি’র সভার গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন হবিগঞ্জ পৌরসভা শত প্রতিকুলতার মাঝেও তার কর্মকান্ড সাফল্যের সাথে পরিচালনা করার কারনে ইউজিআইআইপি-তে টিকে রয়েছে। এর জন্য পৌরসভাকে প্রকল্পের সকল শর্তাবলী পুরন করে চলতে হচ্ছে। পৌরএলাকায় যে উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালিত হচেছ সেগুলোর মান যথাযথ বজায় রাখতে সতর্ক দৃষ্টি রাখা হচ্ছে। মেয়র বলেন টিএলসিসি’র সকল সদস্যের মূল্যবান মতামত ও পরামর্শের ভিত্তিতে পৌরপরিষদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে। তিনি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে পৌরসভার কর্মকান্ড পরিচালনা করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। সভায় বক্তব্য রাখেন পৌরকাউন্সিলর মোঃ আবুল হাসিম, মোহাম্মদ জুনায়েদ মিয়া, গৌতম কুমার রায়, মোঃ আলমগীর, অর্পনা পাল, টিএলসিসি সদস্য ফনীভূষন দাস, মোঃ হাবিবুর রহমান, এমদাদুর রহমান বাবুল, মোঃ হিরাজ মিয়া, মোঃ আব্দুল মোতালিব মমরাজ, মোঃ আলমগীর খান, এডভোকেট এসএম আলী আজগর, এডভোকেট মোঃ নূরুল ইসলাম, সৈয়দা লাভলী সুলতানাসহ অন্যান্যরা।

Share on Facebook

নাতিরাবাদ কালভার্ট হতে শুরু হয়ে স্লুইস গেইট পর্যন্ত বিস্তৃত বড় ড্রেন নির্মিত হচ্ছে ॥ আলহাজ্ব জি, কে গউছের পরিদর্শন।

হবিগঞ্জ পৌরএলাকায় ৩ টি রাস্তা ও একটি ড্রেন নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেছেন মেয়র আলহাজ্ব জি, কে গউছ। বৃহস্পতিবার মেয়র প্রথমে নাতিরাবাদ ১ কোটি ৩১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মানাধীন বড় ড্রেন পরিদর্শন করতে যান। তৃতীয় নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নতকরন সেক্টর প্রকল্পের আওতায় হবিগঞ্জ পৌরসভা এ নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে। ড্রেনটি নাতিরাবাদ কালভার্ট হতে শুরু হয়ে স্লুইস গেইট পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। এ ড্রেনটি নির্মিত হলে হবিগঞ্জ পুরাতন খোয়াই নদী সহ বিভিন্ন এলাকার জলাবদ্ধতা স্থায়ীভাবে নিরসন হবে। মেয়র আলহাজ্ব জি, কে গউছ নাতিরাবাদ এলাকার পর একে একে পুরানমুন্সেফী বড় পুকুরপাড়া রাস্তা, হবিগঞ্জ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় ক্রসরোড ও ষ্টাফ কোয়ার্টার রোড রাস্তা সংস্কার কাজ পরিদর্শন করেন। তিনি প্রকৌশলীসহ নির্মাণকাজের মান যথাযথ হচ্ছে কিনা তা পড়খ করেন। মেয়র কাজের শতভাগ মান বজায় রাখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন পৌরকাউন্সিলর শেখ নূর হোসেন, মোহাম্মদ জুনায়েদ মিয়া, খালেদা জুয়েল, সহকারী প্রকৌশলী নিরুপম দেব সহ অন্যান্যরা।

Share on Facebook

গোপীনাথ পুকুর দখলমুক্ত করতে ব্যবস্থা নেয়া হচেছ ॥ টমটম ভাড়া ৫ টাকা বহাল থাকবে ॥ পৌরপরিষদের বিশেষ সভায় সিদ্ধান্ত ॥ সরকারী আইন অনুসরন করে শীঘ্রই গোপীনাথপুর পুকুর ও টমটমের ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে- মেয়র আলহাজ্ব জি, কে গউছ

হবিগঞ্জ শহরের গোপীনাথপুর পুকুর ও টমটম বিষয়ে উদ্ভুত পরিস্থিতি নিয়ে এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে হবিগঞ্জ পৌরসভায়। মেয়র আলহাজ্ব জি, কে গউছের আহবানে মঙ্গলবার পৌরভবনের সভাকক্ষে পৌরপরিষদের এ বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় হবিগঞ্জ পৌরসভার মালিকাধীন গোপীনাথপুর পুকুর দখলমুক্ত করতে উদ্যোগ গ্রহন করা সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ পৌরসভার সংস্থাপন ও অর্থ বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি পৌরকাউন্সিলর মোঃ আলমগীরকে দায়িত্ব দেয়া হয়। পৌরসভার বিজ্ঞ কৌঁসুলির পরামর্শক্রমে আইনী প্রক্রিয়া যথাযথ অনুসরণ করে স্থায়ী কমিটির সহযোগিতায় দ্রুত উদ্যোগ নেয়ার জন্য সভায় গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়াও আগামী ১৭ নভেম্বর পৌরপরিষদের উপস্থিতিতে গোপীনাথপুর পুকুরপাড়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করার সিদ্ধান্তও হয়।
বিশেষ সভায় টমটম নিয়ে হবিগঞ্জ শহরের সাম্প্রতিক উদ্ভুত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় বলা হয় শহরের টমটম পরিবহন চালু হওয়ার পর তৎকালীন টমটম মালিক সমিতি ভাড়া ৫ টাকা নিধারন করে পৌরসভাকে অবহিত করলে যাত্রীসাধারণের সুবিধার্থে পৌরসভা তা গ্রহন করে। কিন্তু সম্প্রতি টমটম মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ পৌরসভাকে পাশ কাটিয়ে ভাড়া ১০ টাকা করে। ১০ টাকা ভাড়া নির্ধারনের ব্যাপারে পৌরসভাকে অবহিত করা হয়নি। টমটমের ভাড়া বৃদ্ধির ফলে শহরে সাধারন যাত্রীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিনিয়ত টমটম চালকদের সাথে যাত্রীদের সমস্যা হতে দেখা যাচ্ছে। বিশেষ সভায় টমটম ভাড়া ৫ টাকা বহাল রাখার সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। অবৈধ টমটমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেও সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ ব্যাপারে পৌরকাউন্সিরল মোঃ জাহির উদ্দিনকে আহবায়ক করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি ১৫ দিনের মধ্যে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবে।
সভায় মেয়র আলহাজ্ব জি, কে গউছ বলেন গোপীনাথপুর পুকুর দখলমুক্ত করতে এবং অবৈধ টমটম বন্ধে পৌরসভা দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবে। মেয়র বলেন, আমি মেয়র হিসেবে কোন দল বা কোন ধর্মের প্রতিনিধিত্ব করে না। আমি সব সময়ই সকল দলমত ও সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে হবিগঞ্জ পৌরসভার কার্যক্রম করে আসছি। অবৈধ দখলদারিত্ব প্রতিহত করতে এবং টমটমের ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে পৌরসভা বদ্ধ পরিকর। সরকারী আইন অনুসরন করে শীঘ্রই এ সকল ব্যাপারে সকলকে সাথে নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এব্যাপারে মেয়র প্রশাসন, সুশিল সমাজসহ সর্বস্তরের পৌরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন পৌরকাউন্সিলর মোঃ জাহির, দীলিপ দাস, গৌতম কুমার রায়, শেখ নূর হোসেন, মোঃ আলমগীর, শেখ মোঃ উম্মেদ আলী শামীম ও পিয়ারা বেগম।

Share on Facebook

অস্বচ্ছল পরিবারের কলেজ ছাত্রকে বই উপহার দিয়েছেন হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব জি, কে গউছ।

অস্বচ্ছল পরিবারের কলেজ ছাত্রকে বই উপহার দিয়েছেন হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব জি, কে গউছ। গতকাল বৃন্দাবন কলেজে অধ্যায়নরত নাজমুল খান নামের একাদশ শ্রেনীর ছাত্রের হাতে বই তুলে দেন মেয়র। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পৌরকাউন্সিলর গৌতম কুমার রায়, শেখ মোঃ উম্মেদ আলী শামীমসহ অন্যান্যরা। নাজমুলের পিতা তার পূত্রের পড়াশুনার জন্য পৌরসভার সহায়তা চাইলে মেয়র ওই ছাত্রকে পৌরসভার পক্ষ হতে শিক্ষা সহায়তার উদ্যোগ নেন।

Share on Facebook

ভানু দত্তের বাড়ী কালীমন্দিরের সংস্কারের জন্য ১০ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছেন মেয়র আলহাজ্ব জি, কে গউছ।

হবিগঞ্জ শহরের মাছুলিয়া এলাকায় ভানু দত্তের বাড়ী কালীমন্দিরের সংস্কারের জন্য ১০ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছেন মেয়র আলহাজ্ব জি, কে গউছ। মঙ্গলবার পৌরভবনে কালীমন্দিরের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত কল্পনা দত্তের হাতে পৌরসভার প হতে ওই অনুদানের টাকা তুলে দেন মেয়র। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পৌর কাউন্সিলর অর্পনা পাল, উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুল কুদ্দুছ শামীমসহ অন্যান্যরা।

Share on Facebook

হবিগঞ্জ পৌরসভায় জাতীয় স্যানিটেশন মাস পালিত

‘পয়ঃবর্জ্যের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, উন্নত স্যানিটেশনের সম্ভাবনা’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে হবিগঞ্জে পালিত হয়েছে জাতীয় স্যানিটেশন মাস। এ মাস উপলে বরিবার সকালে হবিগঞ্জ পৌরভবন হতে বের হয় এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী। হবিগঞ্জ পৌরসভায় বাস্তবায়নাধীন তৃতীয় নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নতিকরণ (সেক্টর) প্রকল্পের আওতায় হবিগঞ্জ পৌরসভা এ র‌্যালীর আয়োজন করে। র‌্যালী অংশগ্রহন করেন হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব জি, কে গউছ, পৌরকাউন্সিলর মোঃ জাহির উদ্দিন, দীলিপ দাস, মোহাম্মদ জুনায়েদ মিয়া, গৌতম কুমার রায়, শেখ নূর হোসেন, খালেদা জুয়েল, পৌরসচিব মোহাম্মদ নূরে আলম সিদ্দিকী, স্যানিটারী ইন্সপেক্টর অবনী কুমার দাসসহ অন্যান্যরা। র‌্যালীতে ‘সকলের জন্য স্যানিটেশন, নিশ্চিত হোক উন্নত জীবন’, ‘স্যানিটেশনে নজর দিলে, স্বাস্থ্য-সুখের দুয়ার খোলে’ এসকল সচেতনতামুলক ফেষ্টুন প্রদর্শন করেন অংশগ্রহনকারীরা।

Share on Facebook

জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রন সপ্তাহকে সফল করে তুলতে জনসচেতনতা সৃষ্টির প্রয়োজন- মেয়র আলহাজ্ব জি, কে গউছ

হবিগঞ্জ পৌরসভায় অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রন সপ্তাহের এডভোকেসী ও ওরিয়েন্টেশন সভা। কৃমি নিয়ন্ত্রন সপ্তাহকে সামনে রেখে জনসচেতনা বৃদ্ধিকল্পে এ এডভোকেসী ও ওরিয়েন্টেশন সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব জি, কে গউছ। তিনি বলেন কৃমি শিশুদের সুষ্ঠু বিকাশের অন্যতম অন্তরায়। তাই কৃমি নিয়ন্ত্রনে জাতীয়ভাবে পালিত জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রন সপ্তাহকে সফল করে তুলতে জনসচেতনতা সৃষ্টির বিকল্প নেই। তিনি এ কর্মসূচীকে সফল করতে সকলকে যার যার অবস্থানে থেকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের আহবান জানান। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন পৌরকাউন্সিলর মোহাম্মদ জুনায়েদ মিয়া, গৌতম কুমার রায়, খালেদা জুয়েল ও অর্পনা পাল।

Share on Facebook

পুরান মুন্সেফী-উত্তর শ্যামলী রাস্তার পূর্বাংশে সিসি ঢালাই কাজ পরিদর্শন করেছেন হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব জি, কে গউছ

পুরান মুন্সেফী-উত্তর শ্যামলী রাস্তার পূর্বাংশে সিসি ঢালাই কাজ পরিদর্শন করেছেন হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব জি, কে গউছ। বুধবার দুপুরে মেয়র ওই ঢালাই কাজ পরিদর্শন করতে যান। মঙ্গলবার একই রাস্তার পশ্চিমাংশ ঢালাই শেষ হওয়ার পর বুধবার বাকী অংশ ঢালাই শুরু হয়। ঢালাই কাজ পরিদর্শনকালে মেয়র সিডিউল অনুযায়ী কাজের গুনগত মান বজায় রাখার জন্য দায়িত্বশীলদের প্রতি নির্দেশ দেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পৌর কাউন্সিলর শেখ নূর হোসেন, মোঃ আবুল হাসিম, মোহাম্মদ জুনায়েদ মিয়া ও খালেদা জুয়েল। মেয়র আলহাজ্ব জি, কে গউছ ঢালাই কাজ পরিদর্শনের পর চিড়াকান্দি বড়পুকুর পাড় পরিদর্শন করে এলাকাবাসীর সাথে পরিবেশ উন্নত ও পরিচ্ছন্নকরন বিষয়ে আলোচনা করেন। এ ব্যাপারে পৌরসভার পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। সাথে সাথে তিনি যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা না ফেলে পরিবেশ স্বাস্থ্যকর রাখতে এলাকাবাসীর মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।

Share on Facebook

হবিগঞ্জ পৌরসভায় দুদিনব্যাপী পানির বিল ও পৌরকর মেলা শুরু ॥ করদাতাগনের স্বতঃস্ফুর্ত উপস্থিতি ॥

‘চলতি অর্থবছরে ইউজিপ-৩ এর লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশী পৌরকর আদায় হবে। অতীতে যেভাবে পৌরকরের টাকায় হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় উন্নয়ন হয়েছে, আগামীতে এ উন্নয়ন কর্মকান্ড আরোও বেগবান হবে।’-হবিগঞ্জ পৌরসভার কর আদায় সহজীকরণ ও কর প্রদানে পৌরবাসীকে উদ্বুদ্ধকরনের লক্ষ্যে দুদিন ব্যাপী পানির বিল ও পৌরকর মেলার উদ্বোধন করতে গিয়ে এসব কথা বলেন মেয়র আলহাজ্ব জি, কে গউছ। মেয়র বলেন, বিগত অর্থবছরে ইউজিপের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮৫ শতাংশ পৌরকর আদায়। সেখানে হবিগঞ্জ পৌরসভা ৮৭ শতাংশ পৌরকর আদায় করেছে। বর্তমান অর্থবছরে তাদের দেয়া ৯০ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা হবিগঞ্জ পৌরসভা ছাড়িয়ে যাবে বলে মেয়র আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, প্রকল্পের চাহিদা অনুযায়ী ইতিমধ্যে দরিদ্র মানুষের কর্মসংস্থান, আর্ত-মানবতার সেবায় ভূমিকা রাখা, নারীদের জন্য মাদার কর্ণার, ঘাটলা নির্মান ও অবকাঠামো উন্নয়ন সহ নানাবিধ উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করেছে হবিগঞ্জ পৌরসভা। আসছে দিনগুলোতে অস্বচ্ছল মহিলাদের সেলাই প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন অনুদান দিয়ে তাদেরকে স্বাবলম্বী করে তোলা হবে। পৌরসভার নিজস্ব তহবিল দিয়েই পৌর এলাকার নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হবে। বুধবার পৌরভবনের হল রুমে দুদিন ব্যাপী পানির বিল ও পৌরকর মেলার উদ্বোধন করেন মেয়র আলহাজ্ব জি, কে গউছ। উদ্বোধনী সভায় আরো বক্তব্য রাখেন পৌরকর ও নিরূপণ স্থায়ী কমিটির সভাপতি শেখ মোঃ উম্মেদ আলী শামীম, পৌর কাউন্সিলর শেখ নূর হোসেন, মোঃ আবুল হাসিম, মোহাম্মদ জুনায়েদ মিয়া, গৌতম কুমার রায়, খালেদা জুয়েল, অর্পনা পাল ও ইউজিপ-৩ এর সমন্বয়কারী শাহীনুল হক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পৌর সচিব মোহাম্মদ নূরে আলম সিদ্দিকী। পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াৎ করেন মোঃ আব্দুল কাইয়ূম। মেলা উদ্বোধনের পর পৌরকর পরিশোধ করায় পৌরসভার পক্ষ থেকে কর নিররূপণ ও আদায় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি পৌর কাউন্সিলর শেখ মোঃ উম্মেদ আলী শামীমের হাতে সনদ তুলে দেন মেয়র আলহাজ্ব জি, কে গউছ। অনুষ্ঠানে বৃন্দাবন কলেজের পক্ষ থেকে ৮ লক্ষ টাকা পৌরকর প্রদান করেন প্রধান সহকারী শাহ আব্দুল বশির। মেয়র মেলায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর পরিশোধ করার জন্য পৌরবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সাথে সাথে দুদিন ব্যাপী এ মেলায় সকল সরকারী, বেসরকারী করদাতাগণকে নিজ নিজ পানির বিল ও পৌরকর পরিশোধের আহ্বান জানান। তিনি দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে নিয়ে পৌরসভার উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। বুধ ও বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত পৌরভবনের হলরুমে করআদায় ও ব্যাংক বুথের মাধ্যমে বিশেষ রিবেট সুবিধাদি দিয়ে পৌরভবনে পানির বিল ও পৌরকর গ্রহন করা হচ্ছে। আজ বুধবার হবগিঞ্জ পৌরসভার দুদনিব্যাপী করমলোর প্রথমদনি পৌরকর আদায় হয়ছেে ৩২ লাখ ৩৯ হাজার ৬ শ ৫৯ টাকা। এর মধ্যে ১৫ লাখ ৮ শ ৩৭ টাকা সরকারী এবং ১৭ লাখ ৩৮ হাজার ৮ শ ২২ টাকা বসেরকারী পৌরকর। এছাড়া পানরি বলি আদায় হয়ছেে ৫৩ হাজার ৬ টাকা।

Share on Facebook

হবিগঞ্জ পৌরসভায় অনুষ্ঠিত হয়েছে খসড়া মহাপরিকল্পনা প্রনয়নের উপর মতবিনিময় সভা

হবিগঞ্জ পৌরসভায় অনুষ্ঠিত হয়েছে খসড়া মহাপরিকল্পনা প্রনয়নের উপর তৃতীয় মতবিনিময় সভা। হবিগঞ্জ পৌরসভায় বাস্তবায়নাধীন তৃতীয় নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নতিকরণ (সেক্টর) প্রকল্পে মাস্টার প্ল্যান কার্যক্রমের আওতায় খসড়া মহাপরিকল্পনা উপস্থাপন করে শেলটেক কনসালটেন্টস্ (প্রাঃ) লিমিটেড। হবিগঞ্জ পৌরসভার সভাকে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন মেয়র আলহাজ্ব জি, কে গউছ। সভায় প্রজেক্টরের মাধ্যমে হবিগঞ্জ পৌরসভার মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নে খসড়া মহাপরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। শুরুতে বক্তব্য রাখেন শেলটেকের নির্বাহী পরিচালক জিন্নাত মেহরিন। সভাপতির বক্তব্যে মেয়র বলেন যে, বর্তমান জেলা প্রশাসক ইতোমধ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার শক্ত অবস্থানের কথা তুলে ধরেছেন। তিনি আশা করেন জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় হবিগঞ্জ পৌরসভার ডাম্পিং সাইট বাস্তবায়ন এবং পুরাতন খোয়াই নদীর সংরণসহ সকল ইতিবাচক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। পৌরসভার মাষ্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন ও পৌরবাসীর নাগরিক সুবিধা বাড়ানো জন্য হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ ও সুশীল সমাজের মতামত ও পরামর্শের ভিত্তিতে উদ্যাগ গ্রহন করা হবে। সভায় উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর মোঃ আবুল হাসিম, মোঃ জুনায়েদ মিয়া, গৌতম কুমার রায়, শেখ নূর হোসেন, মোঃ আলমগীর, পিয়ারা বেগম, খালেদা জুয়েল, অর্পনা পাল, বিশিষ্ট জনদের মধ্যে প্রফেসার ইকরামুল ওয়াদুদ, প্রফেসার মোঃ আব্দুল্লাহ, হাফিজুর রহমান নিয়ন, মোঃ আলমগীর খান, ফনী ভূষন দাস, আলাউদ্দিন আহমেদ, মুকুল আচার্যী, মোঃ আশরাফুল ইসলাম কোহিনুর, মোঃ এমদাদুর রহমান বাবুল, মোঃ হিরাজ মিয়া, তোফাজ্জল সোহেল, মোঃ শামছুল হুদা, সৈয়দ লাভলী সুলতানা প্রমুখ।

Share on Facebook